এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলীয় বিএনপি আয়োজিত সভায় বক্তারা
রাজনীতিতে একটি নতুন সকাল সৃষ্টির জন্যই তারেক রহমানের আগমন
Published : Sunday, 22 November, 2020 at 12:00 AM, Update: 21.11.2020 10:26:11 PM
দিনকাল রিপোর্ট
রাজনীতিতে একটি নতুন সকাল সৃষ্টির জন্যই তারেক রহমানের আগমনগত শুক্রবার ২০ নভেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলীয় বিএনপি। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলীয় বিএনপির উদ্যোগে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে তারেক জিয়ার জন্মদিন পালন করা হয়। ভিডিও বার্তা ও পত্রের মাধ্যমে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিদেশি রাজনীতিবিদ জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেনÑ এদের মধ্যে জাপান সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান মন্ত্রী ও ফরেন রিলেশন কমিটির চেয়ারম্যান ও মালয়েশিয়ার রাজনীতিবিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিএনপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম খান, সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিএনপি, বেগম সেলিমা রহমান, সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিএনপি এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিএনপি। অনুষ্ঠানে সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, প্রাক্তন উপ-উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কবি আবদুল হাই শিকদার, সদস্য, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল, প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সদস্য, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল ও নির্বাহী পরিচালক, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর শাকিরুল ইসলাম খান শাকিলের পরিচালনায় ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মধ্যপ্রাচ্য সাংগঠনিক সমন্বয়ক সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি আহমদ আলী মুকিবের  সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বাদলুর রহমান খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন আজ। জন্মদিনের এই শুভক্ষণে দলের লাখ লাখ নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও আমার পক্ষ থেকে তাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কায়মনোবাক্যে তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
তিনি বলেন, ১/১১-এর মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীনের অবৈধ সরকার এবং তাদের দোসরদের গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে বিদেশের মাটিতে চিকিৎসারত তারেক রহমান। দেশ ও জাতিকে স্বৈরাচারের অন্যায়-অপকর্মের ছোবল থেকে রক্ষা করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তারেক রহমানের অবদান দলের নেতাকর্মীদের কাছে অনন্য প্রেরণা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে যোগ্য মেধাবী দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনৈতিক নেতা তারেক রহমান। ১৯৮৮ সালে নিজ জেলা বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির একজন সাধারণ সদস্য হিসাবে তার আনুষ্ঠানিক রাজনীতি শুরু। বিএনপি পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এছাড়া ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশেষ অবদান রাখেন দেশবরেণ্য এই তরুণ নেতা। স্বৈরাচারী হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ নির্বাচিত বিএনপি সরকারকে বন্দুকের নলের মুখে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে, বিএনপির সেই চরম ক্রান্তিকালে আপোসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির হাল ধরেন। বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং জাতীয়তাবাদী যুবদলকে সাথে নিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, অগ্নিঝরা দুঃসময়ে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে মহাসংগ্রামে নেতৃত্ব দেন। সেই কঠিন সময়ে সদ্য কৈশরোত্তীর্ণ তারেক রহমান ছাত্রাবস্থায় তার মায়ের পাশে থেকে বিএনপি পুনঃর্নিমাণে অনেক সহযোগিতা করেছেন, যা বিএনপির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বেগম সেলিমা রহমান বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তিকে গতিময়তাদানের জন্য তারেক রহমান রাজনীতিতে আবির্ভাব। যিনি বুকের গভীরে লালন করেন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ। আব্রাহাম লিঙ্কন-এর প্রদর্শিত গণতন্ত্রই তার প্রথম পছন্দ, ‘জনগণের জন্য, জনগণের দ্বারা, জনগণের শাসন, যা কখনো পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হবে না। তার স্বপ্ন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি শুরুতেই ছুটে গিয়েছেন সাধারণ মানুষের কাছে। পথে প্রান্তরে হেঁটে বেড়িয়েছেন তিনি। এই আদর্শ অনুপ্রেরণা তিনি লাভ করেছেন তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা- চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে। পিতার আদর্শ ও কর্মসূচি হৃদয়ে ধারণ করে দেশপ্রেমের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে সত্য-ন্যায় ও কল্যাণের পথে এগিয়ে যাবার প্রত্যয় নিয়েছেন আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা তারেক রহমান।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, কঠিন দুঃসময়ে তারেক রহমান রাজনীতিতে আগমন করেন, তার সেই আগমন ছিল রাজনীতির বদ্ধঘরে খোলা জানালার মতো, যে জানালা দিয়ে রাজনীতির বদ্ধ ঘরে ঢুকতে পেরেছিল একমুঠো মিষ্টি সুবাতাস। রাজনীতিতে তারেক রহমানের আগমনে তখনকার ছাত্র-যুবক-শ্রমিক, তথা সকল তরুণ কর্মীদের মাঝে উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছিল, জাতীয়তাবাদী আদর্শের  সৈনিকরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখেছিলেন তার মধ্যে। কর্মে-কথায়-আচরণে তৃণমূল নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষের মনে আশা-ভালোবাসার সঞ্চার করেছিলেন তিনি। যে ভালোবাসা এখনও অটুট অমøান রয়েছে।
অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার বলেন, বহুদলীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতির মানসপুত্র তারেক রহমান। বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন সকাল সৃষ্টির জন্য তার আগমন। তারেক রহমান এবং তার অনুগামী জাতীয়তাবাদী শক্তির চাওয়া নির্বাচনকেন্দ্রিক বহুদলীয় গণতন্ত্র। আজ বাংলাদেশে গণতন্ত্র অবরুদ্ধ। দেশে চলছে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসন। এই ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। তারুণ্যের প্রতীক বুদ্ধিদীপ্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তারেক রহমান আমাদের মুক্ত করবেন, নতুন আলোর পথ দেখাবেন। বাংলাদেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত গণতন্ত্রের ভঙ্গস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো তার উত্থান হোক জন্মদিনে এই প্রবল প্রত্যাশা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী আপামর মানুষের।
আবদুল হাই শিকদার বলেন, তারেক রহমান এমনই একজন নেতা যার বহুমুখী প্রতিভায় দেশের জনগণের কাছে অতি প্রিয়। বিএনপিসহ সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন জনপ্রিয় নেতা। জনগণকে আপন করে নেয়ার জাদুকরী ক্যারিসমেটিক নেতৃত্ব মার্জিত ব্যবহারের কারণে আর এসব গুণাবলী তাকে বিস্ময়কর জনপ্রিয়তার অধিকারী করে তোলে। তারেক রহমান এদেশের মা, মাটি ও মানুষের সন্তান। এই দেশের মা, মাটি ও মানুষকে কেন্দ্র করেই তার সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ ধরেই শহরকেন্দ্রিক রাজনীতিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছিলেন হাটে, মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে। এই কারণেই তৃণমূল রাজনীতির প্রাণপুরুষ হয়ে উঠেন তারেক রহমান। তারেক রহমান রাজনীতিতে এসে বুঝতে পেরেছিলেন দেশের উন্নয়ন চাইলে গ্রামে-গঞ্জের উন্নয়ন করতে হবে। তাই তিনি পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করেই গ্রাম-গঞ্জের পথে-প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তিনি গ্রাম অঞ্চলের কৃষক-মজুর-খেটে খাওয়া গরিব-দুঃখী মানুষের কাছে গরিব দুঃখী মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। দুঃখী মানুষের কাছে দাঁড়িয়েছেন। তারেক রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করতে তৃণমূল ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন করেছিলেন। এসব সম্মেলনে কর্মীরা দলীয় রাজনীতি ও সংগঠন সম্পর্কে মন খুলে কথা বলেছিলেন। এ সভাগুলোতে তারেক রহমান মূলত দলের গঠনতন্ত্র, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পন নিয়ে নেতাকর্মীদের সাথে দীর্ঘ মতবিনিময় করেছেন। কিন্তু তারেক রহমান সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার পর তার জনপ্রিয়তা ও জাতীয়তাবাদী শক্তির জাগরণে বিএনপি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র শুরু হয়। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২০০৭ সালের ১/১১ সৃষ্টি হয় এবং তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়।
প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, তারেক রহমানের অভাবনীয় জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ওয়ান-ইলেভেনের সরকার গভীর চক্রান্তের নীল-নকশার ছক এঁকেছিল। তার নির্মম বলি হন আধুনিক রাজনীতির এই আইডল। সেনা নিয়ন্ত্রিত সরকার তাকে গ্রেফতার করে নির্মম নির্যাতন করে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে আরো অনেক মিথ্যা মামলায় জড়িত করেছে। এই অবৈধ বাকশালি সরকার অনেক চেষ্টা করেও একটি মামলা প্রমাণ করতে পারেনি।
তিনি আরো বলেন, ঐক্যবদ্ধ অগ্রগতির অমোঘ দাবি উৎপাদনের রাজনীতি এবং জনগণের গণতন্ত্র। এই কর্মসূচি নিয়ে একদিন গ্রামের পর গ্রামে ছুটে গেছেন বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান। তাঁরই প্রদর্শিত পথে পা রাখলেন তারেক জিয়া এবং গণমানুষের প্রাণের ছোঁয়া পেয়ে তিনিও উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিলেন। সেই থেকে তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেন তারেক জিয়া। সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি শোনা এবং সমাধানের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এক নতুন ইতিহাস গড়ে তুলতে তৎপর হন। তারেক জিয়া নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধকে ফিরিয়ে আনতে এক অনন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মাঝে গড়ে তোলেন ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। এক একটি সাধারণ হাত হয়ে ওঠে তখন কর্মীর হাতিয়ার।
আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল বলেন, ৫৬তম জন্মদিনে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। ভবিষ্যৎ এ দেশনায়ক সুস্থ হয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরে আসবেন এবং দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন, ইনশাআল্লাহ। ভোটারবিহীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতার মসনদ থেকে নামাতে ‘গণজাগরণের’ প্রত্যাশা করছি। তিনি বলেন, ‘শুধু একটা সুযোগ একটা পরিবেশের অপেক্ষায় আছি। একটি গণজাগরণের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে বিদায় করে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র একাত্তরের যে স্বপ্ন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আমরা বদ্ধপরিকর। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হলে আমাদের নেতা তারেক রহমান সুন্দর পরিবেশে দেশে ফিরে আসতে পারবেন। গণতন্ত্র ফেরাতে পারলে জনগণের স্বপ্ন তথা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন  বাস্তবায়ন করতে পারব।’
সভাপতির বক্তব্যে সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি আহমদ আলী মুকিব বলেন, বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির সাথে দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি ও আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শহীদ জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে তারেক রহমানই বিশ্বনেতার আসনে সমাসীন হয়েছেনÑ এশিয়া ও প্রবাসী বিএনপি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এবং সচেতন প্রবাসীরা সেটাই মনে করেন। তারেক রহমান শুধু বাংলাদেশের নেতা নন তিনি এখন বিশ্বনেতা, বিশ্বসভায় আগামী দিনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরবেন ও দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে আগামীদিনে এক নতুন চিন্তা-ভাবনার সূচনা করবেন।




দোয়া মাহফিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা কামনা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি দেশে- বিদেশে ও দলের নেতাকর্মী যারা করোনাসহ অন্যান্য রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও অসুস্থদের আশু সুস্থতা কামনায় মহান রাব্বুল আল আমিনের দরবারে দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয়  নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের উপদেষ্টা আসকির আলী, কাতার বিএনপির সভাপতি আবু ছায়েদ, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক সাজু, কুয়েত বিএনপির আহবায়ক মাস্টার নুরুল ইসলাম, সদস্যসচিব শওকত আলী, আরব আমিরাত বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুহ সালাম তালুকদার, বাহরাইন বিএনপির সভাপতি সাবের আহমদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চুন্ন,ু সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল বিএনপি সভাপতি আকম রফিকুল ইসলাম,  সৌদি আরব পশ্চিম অঞ্চল বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান তপন, ওমান বিএনপির সভাপতি ঈসা চৌধুরী, জর্ডান বিএনপির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল খান, লেবানন বিএনপির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম বাবু, ওয়াসিম আকরম, মীর রেজাউল করিম রেজা, সাধারণ সম্পাদক, জাপান বিএনপি এম জামান সজল, সভাপতি দক্ষিণ কোরিয়া বিএনপি, আমেরিকা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরাফত হোসেন বাবু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, ম্যারিল্যান্ড বিএনপির সদস্য কবিরুল ইসলাম, আবু সায়েদ আহমদ সাধারণ সম্পাদক যুবদল আমেরিকা রেজাউল আজাদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক নিউইয়র্ক সিটি যুবদল, বেলজিয়াম বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন বাবু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলম হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক হারুনুর রশিদ, আয়ারল্যান্ড বিএনপির সভাপতি হামিদুল নাসির, স্পেন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম পংকি, ফিনল্যান্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামান সরকার মনির, শামসুল গাজী, মবিন মোহাম্মদ, ইতালী বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শাহ তৌহিদ কাদের, খলিলুর রহমান খোকন, অস্ট্রিয়া বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমতাজ আলো, মাহবুব আলী খান, স্মৃতি সংসদ ইউরোপীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি আহমদ সাদিক, এডভোকেট শরিফুল ইসলাম লিটন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি নেতা, মালদ্বীপ বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন প্রিন্স, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।










প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে সুজন। আপনি কি এ দাবি সমর্থন করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা