সোয়াশ’ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি
Published : Sunday, 18 October, 2020 at 12:00 AM, Update: 17.10.2020 10:59:35 PM
আবদুল্লাহ জেয়াদ, দিনকাল
সোয়াশ’ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিরাজনৈতিকসহ বিভিন্নভাবে অনুমোদন নিয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসূচি ঘুমিয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছর কাটিয়েছে দেশের ১২২টি উন্নয়ন প্রকল্প। আরও ঝুঁকিতে আছে ১৯৫ প্রকল্প। পুরো অর্থবছরে কোনো ধরনের অগ্রগতি নেই এসব প্রকল্পের। করোনাভাইরাসের কারণে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। ফলে নতুন করে মেয়াদ বাড়ছে ১২২টি উন্নয়ন প্রকল্পের। তবে এগুলোর ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। তারা বলছেন, করোনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এসব প্রকল্প।
এসব প্রকল্পের মধ্যে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি প্রকল্প, দেশের তিনটি বিমানবন্দরের উন্নয়ন, রেলের উন্নয়ন, ডিপিডিসি এলাকায় বিদ্যুৎ সিস্টেম নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার প্রকল্পও রয়েছে। আবার এক হাজার ১৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও শতাধিক প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা একটি টাকাও খরচ করতে পারেনি। ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে অর্থ ব্যয় করার সক্ষমতা কম আছে ৩৪টির। অথচ অনেক উন্নয়ন প্রকল্প টাকার অভাবে নির্ধারিত মেয়াদে সমাপ্ত করা যায় না।
এদিকে আগামী অর্থবছরের (২০২০-২১) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হচ্ছে। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে ৩৮২টি প্রকল্প সমাপ্তির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যা চলমান অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে ছিল ৩১৭টি। ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৬৫টি প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত আইএমইডির প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ঘুমিয়ে বছর কাটানো ১২২ প্রকল্পের মধ্যে কিছু প্রকল্প ২০১৫, কিছু প্রকল্প ২০১৭ এবং কিছু ২০১৮ সালে শুরু হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রোহিঙ্গা, বিদ্যুৎ, রেলওয়ে, দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর উন্নয়নের প্রকল্পও আছে।
খুলনায় ‘কারাগার হবে সংশোধনাগার’ শিরোনামে আধুনিক কারাগার নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ২০০৮ সালে। তবে প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে। ওই সময় প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয় ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু ব্যক্তিগত জমি অধিগ্রহণ, কারাগার অভ্যন্তরে নির্মাণাধীন চারতলা হাসপাতালটি পাঁচতলাকরণ, কারারক্ষীদের বাসভবন সম্প্রসারণ, দর্শনার্থীদের স্থান ও ভবনের বর্ধিতকরণসহ বেশকিছু নতুন প্রস্তাব প্রকল্পে সংযুক্ত হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ করা যায়নি। তাই প্রথম দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু এ সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ না হওয়ায় আরো ছয় মাস মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের মাত্র ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তাই আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন খোদ প্রকল্পের কর্মকর্তারাই। তারা বলছেন, ডিপিপির পুনর্মূল্যায়ন প্রস্তাব এখনো পাস হয়নি। তাই চাইলেই কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। এতে পুরো প্রকল্পের কাজ আরো পেছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগ খুলনা-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাসির উদ্দীন বলেন, নতুন কিছু প্রস্তাব ও জমি অধিগ্রহণের জন্য নতুন জেলা কারাগার নির্মাণ শেষ করতে সময় লাগছে। মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দুই বছর পর নতুন এ কারাগারের নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।
মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ২০ হাজার ৪৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ডিপিডিসি এলাকায় বিদ্যুৎ সিস্টেম নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করা, ৫১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজারে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহণ, সম্ভাব্যতা যাচাই, এক হাজার ২৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২শ মেগাওয়াটের আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্লান্ট, দুই হাজার ২৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ, ২৩ জেলায় তিন হাজার ৬৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন, এক হাজার ২২২ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন, আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধিক ছাত্র ভর্তির জন্য বাড়তি সুবিধা উন্নয়ন, তিন হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে কাঁচপুর-সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে চার লেন নির্মাণ, এক হাজার ৬৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে রেলের পার্বতীপুর টু কাউনিয়া সেকশনে মিটারগেজ লাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর, তিন হাজার ৫০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রেলের খুলনা টু দর্শনা জংশনে ডাবল লাইন ট্র্যাক নির্মাণ, পাঁচ হাজার ৭১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ রেলের ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ, ২৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আশুগঞ্জে অভ্যন্তরীণ কনটেইনার নদীবন্দর স্থাপন, তিন হাজার ৭০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ, দুই হাজার ৩১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সম্প্রসারণ, ৫৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ে শক্তিশালী করা, ৯৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক স্থাপন, ৩৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে শাহজিবাজার ৭০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টকে ১৫০ কম্বাইন্ড সাইকেলে রূপান্তর, ৫১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০ মেগাওয়াট বাঘাবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেলে রূপান্তর, ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে রূপপুর নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুতের ইভেক্যুয়েশন সুবিধার অবকাঠামো উন্নয়ন, এক হাজার ১৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে কুমিল্লাতে ব্যাক টু ব্যাক স্টেশন নির্মাণ, সাড়ে ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাওরান বাজারে আন্ডারগ্রাউন্ড সাবস্টেশন নির্মাণ, প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ডিপিডিসির বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ৬৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ডিপিডিসি এলাকায় সাড়ে আট লাখ প্রি-পেইড মিটার স্থাপন।
এ ছাড়া ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আইসিবির বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প, প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে থিম্পুতে বাংলাদেশ চ্যান্সেরি ভবন নির্মাণ, প্রায় ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে জামার্নিতে চ্যান্সেরি ভবন ও রাষ্ট্রদূতের বাসভবন নির্মাণ, প্রায় ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রুনাইতে বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স ও রাষ্ট্রদূতের আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৩৪০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে র‌্যাবের ভোকেশনাল ও কারিগরি দক্ষতা, ১২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটনিং প্রকল্প, ৩৭.৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বিজিবির ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ, প্রায় ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বিজিবির বর্ডার এলাকায় ৬০টি বিওপি নির্মাণ, ৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে গোপালগঞ্জে শেখ রাসেল হাইস্কুল ও সূত্রাপুরে শের-ই-বাংলা মহিলা কলেজ উন্নয়ন, ৬৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্বাচিত ৯টি সরকারি কলেজের উন্নয়ন, ১৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫০ বেডের জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হসপিটাল নির্মাণ, ৪৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রিমোট এলাকায় আইসিটি নেটওয়ার্ক স্থাপন, ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে রমনা পার্ক উন্নয়ন ও লেকের সৌন্দর্যবর্ধন, প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আজিমপুরে সরকারি আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৪২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০তলা বিশিষ্ট সচিবালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ, চট্টগ্রামে এক হাজার ১৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, এক হাজার ৩৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ছয়টি পরিপূর্ণ স্টেশন নির্মাণ, ৬৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিস ডেলিভারি প্রকল্প, ৬৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ফেনী নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণ, সোনাগাজী ও মিরসরাই অর্থনৈতিক জোনের লিংক রোড প্রকল্প, ঢাকা উত্তর সিটির জন্য ৪৪২ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কে এলইডি লাইট, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি কন্ট্রোল সেন্টার স্থাপন, সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকায় তিনটি হোলসেল বাজার স্থাপন, চার হাজার ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী ওয়াসার সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ৪২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে পল্লী জনপদ প্রকল্প, ১১০ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রহ্মপুত্র ব্যারাজের ডিজাইন নির্মাণ, রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবিলায় ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প।
করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পে। এতে চারবার সংশোধনের পরও নির্ধারিত সময় আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এপ্রিল পর্যন্ত এই প্রকল্পের অগ্রগতি ৮৭ শতাংশ। কিন্তু এখনো ক্ষতিগ্রস্তদের প্লট বুঝিয়ে দেয়াসহ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ করা যায়নি। এগুলোর বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশন থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে প্রস্তাবিত ৩৮২টি সম্ভাব্য সমাপ্য প্রকল্পের তালিকা ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত এডিপিতে সংযোজন করা যেতে পারে। এ প্রকল্পগুলো যথাসময়ে অর্থাৎ ২০২১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।




এ বিষয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) সফিকুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের সার্বিক কাজ সম্পাদন করার প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে কাজে কিছুটা বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। বেশ কিছু এক্সপার্ট চীন গিয়ে আর আসতে পারেননি। বিভিন্ন কারণে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়া এখনো অব্যাহত রয়েছে।
পরিকল্পনা সচিব মো. নূরুল আমিন বলেন, চলতি অর্থবছরে ৩১৭টি প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে দেখা গেছে, ১২২টি প্রকল্প কোনোভাবেই জুনের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে না। তাই এগুলোর মেয়াদ ৬ মাস বাড়িয়ে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়। আর বাকি প্রকল্পের মধ্যে অনেকগুলোরই ইতিমধ্যে ৭০-৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। এখনও আমাদের হাতে দেড় মাস সময় রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এসব প্রকল্প শেষ করা যেতে পারে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একেবারেই কাজ করা না গেলে তখন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেখে তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।










প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, এ সরকার ও ইসির অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আপনিও কি তাই মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা