শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনই খোলা হবে না : প্রধানমন্ত্রী
Published : Monday, 1 June, 2020 at 12:00 AM, Update: 31.05.2020 9:23:57 PM
দিনকাল রিপোর্ট
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল  রবিবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন,  শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যত এবং সরকার তাদের ঝুঁকিতে ফেলতে চায় না। তাই এই মুহূর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছি না।
তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলছি না। কারণ আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাই, যাতে তারা (শিক্ষার্থীরা) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়।
অনুষ্ঠানে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে যারা এই করোনাকালেও ফল প্রকাশের জন্য যারা কাজ করেছেন, তাদেরকেও অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সেখানে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ১০টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ২২, আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৩। বরিশাল বোর্ডে ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩ জন। এ ছাড়া সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬২ জন, ময়মনসিংহে পাসের হার ৮০ দশমিক ১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ, জিপিএস-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন। রাজশাহীতে পাসের হার ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ হাজার ১৬৭ জন।
এ বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ৩ ফেব্রুয়ারি, শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।







প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25114 জন