নাজাতের দশ দিন
মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির
Published : Thursday, 21 May, 2020 at 12:00 AM, Update: 20.05.2020 10:07:04 PM
নাজাতের দশ দিনআজ ২৭ রমজানুল মোবারক ১৪৪১ হিজরী। হযরত আয়শা (রা.) হুজুরে পাক (সা.) এর বাণী বর্ণনা করেন যে, রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় তারিখে তোমরা লাইলাতুল কদরকে খুঁজতে থাকো। অতএব এখানে বুঝা যায় যে, রমজানের শেষ দশকের যে কোন বেজোড় রাতে এ রাত হওয়ার সম্ভাবনা অধিক। কেননা হযরত উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, রমজানের ২৭তম রাতের সকাল পর্যন্ত পূর্ণ ইবাদত আমার নিকট পূর্ণ রমজান মাসের অন্যান্য সকল রাতের ইবাদত অপেক্ষা অধিক প্রিয় এবং তাবেঈনদের মতে শেষ দশদিন অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৭, ২৯-এর রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করবেন। কেননা মহানবী (সা.) শবেকদরের তালাশে এতেকাফ করতেন।
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বদরের রাতে জাগরণ করল এবং তাতে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করল এবং আল্লাহর কাছে গোনামাফের দোয়া করল, আল্লাহপাক তাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং সে যেন আল্লাহর রহমতের দরিয়াতে ডুব দিল। এই রকম ব্যক্তি হযরত জিবরাঈল (আ.) এর ডানার স্পর্শ লাভ করবে আর যে ব্যক্তির এই স্পর্শ লাভ হবে সে বেহেশতে প্রবেশ করবে। হযরত আয়েশা (রা.) আরো বলেন যে, নবী করীম (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনের রাতে নিদ্রায় যেতেন না এবং পরিবার পরিজনদের জাগাতেন। রমজানের শেষ দশদিন আগমন করলেই মহানবী (সা.) লাইলাতুল কদরের সন্ধানে মশগুল থাকতেন।
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) একদিন মহানবী (সা.) কে প্রশ্ন করেন যে, ইয়া রাসূলুল্লাহ (সা.) আমি যদি লাইলাতুল ক্বদর পাইয়া যাই তবে কি দোয়া পাঠ করব? উত্তরে মহানবী (সা.) বললেন এই দোয়া পাঠ করিও আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি। অর্থাৎ হে আল্লাহ তুমি বড় ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে বড় ভালোবাস, কাজেই তুমি আমাকে ক্ষমা করো। তাই আসছে লাইলাতুল কদরের রজনীতে আল্লাহপাক যেন আমাদের পূর্ণাঙ্গভাবে ইবাদত করার তৌফিক দান করেন। আল্লাহপাক আমাদের সকল মুসলিম উম্মাহের সহায় হোন। আমীন, ছুম্মা আমীন।






প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25077 জন