শারীরিক নয়, মানসিকভাবে ভাল আছেন খালেদা জিয়া
সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কিছুই করেনি : মির্জা ফখরুল
Published : Wednesday, 20 May, 2020 at 12:00 AM, Update: 19.05.2020 9:51:14 PM
দিনকাল রিপোর্ট
সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কিছুই করেনি : মির্জা ফখরুলবিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘ফিরোজা’য় শারীরিকভাবে নয়,  মানসিকভাবে  ‘একটু ভালো’ আছেন বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) আমাকে ডেকেছিলেন, আমি গিয়েছিলাম। তাঁর অসুস্থতার খবরগুলো জানার চেষ্টা করেছি। বাসায় আসার কারণে তিনি নিঃসন্দেহে মানসিকভাবে ওইটুকু রিলিফ তিনি পেয়েছেন। সে কারণে তিনি মানসিক দিক দিয়ে একটু বেটার আছেন। আর স্বাস্থ্যগত দিক থেকে, তাঁর অসুখের দিক থেকে খুব একটা ইম্প্রুভমেন্ট তাঁর একদমই হয় নাই। তাঁর তো চিকিৎসাই হচ্ছে না। কারণ হাসপাতাল তো বন্ধ প্রায়। হাসপাতালে গিয়ে তিনি পরীক্ষা করবেন সেই পরীক্ষারও সুযোগ নেই। মির্জা ফখরুল বলেন, শর্ত দিয়েছে যে, উনি বাইরে যেতে পারবেন না। অন্যান্য দেশগুলোতেও একই অবস্থা। লকডাউন, যোগাযোগ-টোগাযোগ সবই বন্ধ। সেই কারণে চিকিৎসার সুযোগটিও পাচ্ছি না। উনি আগের যে চিকিৎসা তাঁর ব্যক্তিগত যেসব চিকিৎসক রয়েছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে চিকিৎসা কনটিনিউ করছেন। গতকাল মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘সুপার সাইকোন’ আম্ফানের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়ে  মির্জা ফখরুল বলেন, আরেক বিপদের ওপর খাঁড়ার ঘা আসছে। একটা সাইকোন আসছে যে বলা হচ্ছে ক্যাটাগরি ফাইভ। খুবই বড় রকমের একটা বিপর্যয় আসতে যাচ্ছে। আমাদের দলের সকল নেতা-কর্মীর কাছে এই আহবান থাকলো এই দুর্যোগের পরপরই যেন জনগণের পাশে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে পারেন তার ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবেন। বিএনপি মহাসচিব সরকারের প্রতি আহবান রেখে বলেন, আমরা আশা করব কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রাণহানি যেন কম হয় তার জন্য তারা ব্যবস্থা নেবেন এবং জনগণ যেন কিছুটা হলেও এই দুর্যোগ থেকে তারা মুক্তি পেতে পারে তার ব্যবস্থা নেবেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন বিশেষ করে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য, ব্যাংকার, পেশাজীবী, শ্রমজীবী মানুষ, তাদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি যারা এই করোনা মোকাবিলায় অগ্রসেনানী হিসাবে কাজ করছেনÑ চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যসেবী কর্মী, বিভিন্ন আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যসহ, সাংবাদিক, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মী, ব্যাংকার, শ্রমজীবী মানুষ (গার্মেন্টস কর্মী) অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রাখতে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন তাদের। বিশ^ব্যাপী করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ থাবায় গোটা বিশ^ আজ লন্ডভন্ড। করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত প্রায় সোয়া তিন লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। আক্রান্ত প্রায় ৪৮ লাখ। প্রায় সোয়া দুই মাস আগে বাংলাদেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর সরকারের সমন্বয়হীনতা ও উদাসীনতায় এখন প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্তান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। মানুষের জীবন বাঁচাতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার। যখন চীনে করোনা মহামারি শুরু হলো তখন সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। তখন তারা অন্য একটি অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। প্রথম থেকে তারা যথাযথ পদক্ষেপ নিলে তাহলে আজ লাশের সারি দীর্ঘ হতো না। জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহিতা না থাকার কারণে সরকার এমন আচরণ করেছে। মানুষকে বাঁচাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যদি তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হতেন তাহলে তারা জনগণের জন্য ব্যবস্থা নিতেন।




তিনি বলেন, একদিকে খাদ্যের জন্য হাহাকার চলছে। দেশের সব জেলায়ই ত্রাণের জন্য গরীব ও অসহায় মানুষ বিক্ষোভ করছে, সড়ক অবরোধ করছে। অন্যদিকে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না করোনা আক্রান্তরা। এমনকি অন্যান্য রোগে আক্রান্তরাও যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। বিনা চিকিৎসায় পথে, ঘাটে, বাসে, ফুটপাতে এখন লাশ পড়ে থাকার খবর বের হচ্ছে। এটা কী নিদারুণ অবস্থা। শাহবাগে লম্বা লাইন ধরে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও করোনা টেস্ট করাতে না পেরে সড়কেই ছেলে-মেয়ের চোখের সামনে প্রাণ হারিয়েছেন বৃদ্ধ। করোনার টেষ্ট করতে মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। সরকার ঘোষিত ৪২টি সেন্টারের বেশ কয়েকটি সেন্টার কার্যকর নয়। যেসব সেন্টারে টেস্ট হচ্ছে তাও অপর্যাপ্ত। মানুষ লাইন ধরে ফিরে যাচ্ছে টেস্ট না করে। আপনারা গণমাধ্যমে দেখেছেন বিএসএমএমইউ হাসপাতালের সামনের সড়কে কি লম্বা লাইন। আগের রাতে লাইন ধরে অসুস্থ রোগীরা কিভাবে শুয়ে আছে, বসে আছে। তারপরও টেস্টের সিরিয়াল পাচ্ছে না। অন্যান্য হাসপাতালগুলোতেও একই অবস্থা। যে পরিমাণ টেস্ট হচ্ছে তাও আবার এখন পর্যন্ত করোনা দিনে ১০ হাজারে ওঠেনি। এরমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ শতাংশ উঠেছে। যদি বেশি টেস্ট হতো তাহলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বেড়ে যেত। বিশ^স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার বলেছে টেস্ট টেস্ট টেস্ট। টেস্টের কোনো বিকল্প নেই। যত বেশি টেস্ট করা হবে তত বেশি সংক্রমিত জনগোষ্ঠীকে বাঁচানো সম্ভব হবে। করোনা আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও ভর্তি হতে পাচ্ছেন না । অভিযোগ রয়েছে সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে বিনা চিকিৎসায়। এ যদি সরকারের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী তাতো বুঝতেই পারছেন। শুধু কিটের অভাবে করোনার টেস্ট করতে পারছেন না আক্রান্ত রোগীরা। অথচ ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেবের কিট অনুমোদন নিয়ে কত টালবাহানা চলছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩৪৯ জনের, আক্রান্ত ২৩৮৭০ জন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংখ্যা আরও ৪০ গুণ বেশি হবে। গণমাধ্যমের তথ্যমতে করোনা উপসর্গে এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছে প্রায় ১১০০ জন। ডাক্তার ৭৮০ জন আক্রান্ত, নার্স ৬০০ জন ও স্বাস্থ্য কর্মী আক্রান্ত ৫৫০ জন। এরমধ্যে ৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন ২২০০-এর অধিক, অন্যান্য বাহিনীর আরও ৬ শতাধিক সদস্য আক্রান্ত। এদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন প্রায় ১৫ জন।  গণমাধ্যমকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১৩৫ জন। ৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। প্রশাসনেরও বেশ কিছু সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যুবরণ করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, করোনার সংক্রমণ এখন ঊর্ধ্বমুখী, সরকার করোনা মোকাবিলায় চারদিক থেকে ব্যর্থ। দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে আছে বলে সরকারের মন্ত্রীরা প্রতিদিন মুখে বুলি আওড়াচ্ছেন। অথচ স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১%ও বরাদ্দ দেয়া হয়নি। আবার যে টুকু বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল তাও হরিলুট হয়েছে। আপনারা দেখেছেন যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে কীভাবে সরকারি টাকা লুট হয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা অপ্রতুল। দেশের ৯০ ভাগ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থাও নেই। এমন কি হাসাপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়নি। নিম্নমানের মাস্ক সরবরাহ করে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের বিপদে ফেলে দিয়েছে সরকার। নিজেরা আতঙ্কিত হয়ে এখন তারা এখন রোগীদের চিকিৎসা দিতেও ভয় পাচ্ছে। সরকারের ব্যর্থতায় বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এই মুহূর্তে লকডাউন শিথিল ও যাথাযথ তদারকি না করে দেশকে ভয়ংকর বিপজ্জনক অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। দাম্ভিকতা ছাড়া তাদের আর কিছুই নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে অদূরদর্শিতা, সমন্বয়হীনতা, উদাসীনতা  ও একগুঁয়েমী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। করোনায় মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে। বিরোধী দল-মতের প্রতি চরম অবজ্ঞার কারণে সরকার সর্বদলীয় উদ্যোগ নেয়নি। বিশেষজ্ঞদের ডেকে পরামর্শ নিতে পারতো। নেয়নি। চিকিৎসা ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সম্পৃক্ত না করে দলীয়করণ করা হচ্ছে। আমরা বারবার আহবান জানিয়েছিলাম করোনার ভয়াবহ সঙ্কট থেকে মানুষকে বাঁচাতে সর্বদলীয় ঐক্যে গঠন করুন। আজ যদি সর্বদলীয় ঐক্য হতো তাহলে ত্রাণের নামে দেশজুড়ে যে লুটপাট হচ্ছে তা হতো না। আপনারা দেখছেন শুরু থেকে সারাদেশে কিভাবে চালচুরি, ডালচুরি, তেলচুরির ঘটনা ঘটেছে। হাজার হাজার চালের বস্তাসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও তাদের সমর্থক চেয়ারম্যান-মেম্বার গ্রেফতার হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতার ঘরের খাটের ভিতর থেকে তেলের খনি উদ্ধার করা হয়েছে। তারপরও যেটুকু ত্রাণ দিয়েছে সরকার তার সব দিয়েছে দলীয় নেতা-কর্র্মীদের। তালিকা করে শুধুমাত্র দলীয় লোকদের ত্রাণ দেয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ বা অন্য দলের লোকদের ত্রাণ দেয়া হয়নি। চাল, ডাল ও তেলচুরির পর এবার দলীয় নগদ টাকা হরিলুটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। গণমাধ্যমে দেখলাম ৫০ লক্ষ কর্মহীন লোকের মাঝে ১২শ ৫৭ কোটি টাকা বিতরণ করছে সরকার। মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে, ব্যাংকের মাধ্যমে সে টাকা বিতরণ হবে। সেখানেও নগদ টাকা লুট হচ্ছে। একজনের মোবাইল নম্বরে ৩০৬ জনের নাম। অর্থাৎ ৩০৬ জনের টাকা একজন লুট করবে। এছাড়াও নগদ টাকার তালিকায় নাম রয়েছে তাদের দলীয় নেতা-কর্মী, বাড়ির মালিক, দোকানের মালিক, দলীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের। অথচ দোকানের কর্মচারীর নাম নেই, কাজের লোকদের নাম নেই, গরীব মানুষদের নাম নেই। আর বিএনপিসহ বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের নামতো নেইই। এই হলো অবস্থা। এই ভয়াবহ মহামারির মধ্যেও দলীয় লোকদের চাল, ডাল, তেল ও নগদ টাকা লুটপাটের সুযোগ করে দিতেই যত আয়োজন।  ত্রাণ লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। চারদিকে শুধু অব্যবস্থাপনা বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, শুরু থেকেই তারা হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি ছুটি ঘোষণা করে গণপরিহন দুদিন খোলা রাখল তারপর ঢাকার মানুষ, চাকরিজীবী, গার্মেন্টস কর্মীরা দলে দলে সব গ্রামে ঢুকল। দেশে যখন করোনার রোগী পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তখন সরকার লকডাউন উঠিয়ে দিলো। মিলকারখানা, হোটেল রেস্তোরাঁ, মার্কেট, শপিংমল খুলে দিল। তারপর আবার লাইন ধরে কষ্ট করে পায়ে হেঁটে গরীব মানুষ কর্মক্ষেত্রে যোগ দিয়েছে। এখন আবার দলে দলে বাড়ি ফিরছে মানুষ। লকডাউন চলছে অথচ রাজধানীতে যানজট লেগে আছে। এই হলো অবস্থা। সরকারের দূরদর্শিতার অভাবে সারাদেশে বিশৃঙ্খলা বিরাজমান। অনেক বাসা বাড়িতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির ভৌতিক বিল পাঠানো হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে করোনা মোকাবিলা দূরে থাক সারাদেশ ভায়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতা-কর্মীদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন। তারেই ধারাবাহিকাতায় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনেরা নেতা-কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৩১,২৭,৬৯৩টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বিএনপি এবং এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি  সারাদেশে অব্যাহত আছে এবং থাকবে। এছাড়াও ড্যাব ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন যৌথভাবে প্রায় ৭৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ইমারজেন্সী বিভাগে প্রায় ২০০০ পূর্ণাঙ্গ পিপি সরবরাহ করেছে। সেই সাথে অনলাইনের মাধ্যমে ড্যাব সদস্যরা দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসা প্রদান করছে। করোনার এই ভয়াবহ দুর্যোগেও সরকারের  নিপীড়ন থেমে নেই। সরকারি ত্রাণের অনিয়ম, চাল চুরি ও করোনা নিয়ে সমালোচনা করায় এ পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গণমাধ্যমকর্মীসহ ৪১১ জনকে গ্রেফতার করেছে সরকার। বেশ কয়েকজন সম্পাদক ও সাংবাদিকের নামে নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ত্রাণ দিতে গিয়ে গ্রেফতার হচ্ছেন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ অন্যান্য দলের নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে করোনার ভয়াবহ থাবায় আক্রান্ত হচ্ছেন কারাবন্দিরাও। ইতিমধ্যে সিলেট কারাগারে একজন বন্দি করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন করাবন্দিরা। বেশ কয়েকজন কারারক্ষী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আমি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি রাজবন্দিদের মুক্তি দাবি করছি।






প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25033 জন