গণস্বাস্থ্যের কিট অত্যন্ত কার্যকর : করোনা পরীক্ষায় সাময়িক অনুমতির দাবি
Published : Tuesday, 12 May, 2020 at 12:00 AM, Update: 11.05.2020 9:16:13 PM
গণস্বাস্থ্যের কিট অত্যন্ত কার্যকর : করোনা পরীক্ষায় সাময়িক অনুমতির দাবিদিনকাল রিপোর্ট
নিজস্ব ল্যাবে উদ্ভাবন করা করোনা পরীার কিটের সমতা সনদ পাওয়ার আগে সাময়িক সনদ দেয়ার দাবি জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। দীর্ঘদিন থেকে এই কিট নিয়ে জটিলতা থাকায় গতকাল সোমবার গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, করোনা র‌্যাপিড টেস্টিং কিট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পরীার জন্য অপেমাণ অবস্থায় আছে। এ অবস্থায় আমরা আমাদের তৈরি কিটে করোনা পরীার জন্য সরকারের কাছে সাময়িক অনুমতি প্রার্থনা করছি। সরকার অনুমতি দিলে দিনে অন্তত একশো মানুষের বিনা মূল্যে করোনা পরীা করতে পারবে গণস্বাস্থ্য। তিনি বলেন, আমার যদি এই মুহূর্তে পরী শুরু করি তাহলে তারা (সরকার) বলবেন যে ওনারা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করেন না। বিচ্ছিন্নভাবে না করে আরো পরিকল্পিতভাবে করোনা চিকিৎসা দরকার। ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, গণস্বাস্থ্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি বলেন, সাময়িক অনুমতি দেয়া হলে যারা করোনা পরীার জন্য অন্য রোগের চিকিৎসা পাচ্ছেন না তাদের আমরা টেস্ট করে দিতে পারতাম।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি গণস্বাস্থ্যের প থেকে দেশেবাসীর কাছে মা প্রার্থনা করছি। আমি মা চাইছি আমাদের অপারগতার জন্য। তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য, আমাদের ব্যর্থতা, আমাদের অপারগতা, বিএসএমএমইউ কাছে কিট পৌঁছাতে পারি নাই। আমাদের কিট আছে কিন্তু তাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য যে পত্র সেটা আমাদের কাছে এখনো হস্তান্তর করা হয়নি।    
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আমরা বুঝাতে সম হয়নি এটা জাতীয় গুরুত্ব। দ্রুত করাটা দরকার। এ সময়ে আমরা জাতির জন্য কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পারতাম। হয়তো সবকিছুর পরিবর্তন করতে পারতাম না। কিন্তু মানসিকভাবে মানুষকে একটা স্বস্তি দিতে পারতাম। জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে আমরা সরকারের কাছে একটা আবেদন করতে চাইছি। যতোদিন পর্যন্ত না হয়। তুলনামূলক রিপোর্টটা না আসে ততোদিন আমাদের সাময়িক সনদপত্র দেন।  যাতে আমরা লোকের  করোনা হয়েছি কি হয়নি এ পরীা টুকু করে দিতে পারি।




গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ প্রতিষ্ঠাতা আরো বলেন, কিটের কার্যকারিতা পরীার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) যে কমিটি করেছিল তাদের পূর্ণ মতা দেয়া হয়নি। প্রতিটি তাদের প্রতিটি ধাপে ধাপে অনুমতি নিতে হচ্ছে। চিঠি ভাইস চ্যালেন্সরের দপ্তরে আছে। ওনার চূড়ান্ত অনুমোদন শেষে এ কমিটি আমাদের জানাবেন আমরা তাদের দেবো। তিনি বলেন, আমাদের কাছে কিট আছে আমরা দাবি করছি এটা কার্যকর। কিন্তু আমরা এখনো পর্যন্ত সরকারের অনুমোদনের দ্বার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারিনি। প্রতিদিন সাংবাদিক আমাদের ফোন করেন আমরা বলি কালকে, কালকে। তিনি জানান, গণস্বাস্থ্য প্রতিদিন ২শ  থেকে ৩শ লোকের কিডনি রোগী ডায়ালিসিস করে থাকে। রোগী আসে করোনা পজেটিভ তাদের ডায়ালিসিস করা সম্ভব হয় না। তাই জনসাধারণের কাছে আবেদন করছি, আমাদের  হাসপাতালের আশপাশে কেউ ৫ হাজার স্কয়ারফিট জায়গা দিলে আমরা সেখানে দ্রুত মেশিন বসিয়ে করোনা আক্রান্ত  একশ জনের ডায়ালিসিস প্রতিদিন করে দিতে পারি। অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া বলেন,  নো কমেন্ট। আমি প্রজেক্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করবো না।







প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25104 জন