২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের নতুন রেকর্ড : একজনের মৃত্যু
Published : Wednesday, 6 May, 2020 at 12:00 AM, Update: 05.05.2020 9:25:43 PM
দিনকাল রিপোর্ট
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭৮৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এটাই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা  ১০ হাজার ৯২৯ জন।  এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ হয়েছেন আরো ১ জন। এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৩ জনে। সুস্থ হয়েছে ১৯৩ জন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক  (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।  
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীা করা হয় ৫ হাজার ৭১১টি। পরীা করা নমুনার মধ্যে ৭৮৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে।  
নাসিমা বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছে ১ জন। তার বয়স ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে। তিনি একজন পুরুষ। আমাদের এ পর্যন্ত মৃত্যু দাঁড়ালো ১৮৩ জন।’ ‘হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ১৯৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে ১ হাজার ৪০৩ জন’, যোগ করেন তিনি। এর আগে সোমবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল ৬৮৮ জন, মৃত্যু হয় ৫ জনের। তার আগের দিন রবিবার শনাক্ত হয় ৬৬৫ জন, মারা যায় ২ জন। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর গত ১৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে দিনে দিনে এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে।
২৪ ঘণ্টায় ২৩৯ পুলিশ করোনায় আক্রান্ত : গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের আরও ২৩৯ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত কয়েক দিনে পুলিশ সদস্যদের এটাই সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা হাজার ছাড়ালো। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, দেশে করোনা হানা দেয়ার পর থেকে মঙ্গলবার (৫ মে) পর্যন্ত পুলিশের এক হাজার ১৫৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন পাঁচ জন। সোমবার (৪ মে) আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯১৪ জনে। আক্রান্তদের মধ্য থেকে সুস্থ হ য়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৫ জন। আইসোলেশনে আছেন ৩১৫ জন। কোয়ারান্টিনে আছেন এক হাজার ২৫০ জন।

সরকারের ব্যর্থতা করোনা সঙ্কটকে গভীরতর করছে
২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের নতুন রেকর্ড : একজনের মৃত্যুদিনকাল রিপোর্ট
করোনা মোকাবিলায় ‘সরকার কোথাও নেই, শুধু আছে টেলিভিশনে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমি তো এখন দেখছি যে, সরকার কোথায়? সরকার এখন রাস্তাতেও নেই। অর্থাৎ গোড়ায়-আগায়, মনে-গোপনে, কার্যালয়ে নেই। সরকার এক জায়গায় আছে শুধু টেলিভিশনে। আর কিন্তু তারা (সরকার) কোথাও নেই। আপনি খেয়াল করে দেখবেন- এভরি বডি ইজ ইন দি টেলিভিশন, নো বডি ইজ এ্যানি হোয়ার। সংকট মোকাবিলায় বিরোধী দলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ এবং স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের নিয়ে ট্রাস্ক ফোর্স গঠন করার দাবিও কর্ণপাত না করায় সরকারের সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, আমরা বলেছিলাম সর্বদলীয় একটা উদ্যোগ গ্রহণ করা সেই উদ্যোগও গ্রহণ করেনি তারা। এটা বাদ দিয়ে ব্যুরোক্রেট-বিশেষজ্ঞ ছাড়া স্বনামধন্য যারা আমাদের দেশে আছেন তাদের নিয়েও টাস্ক ফোর্স গঠন করার দাবি আমরা করেছিলাম। সেটাও করা হয়নি। যেমন ধরেন- ড. রেহমান সুবহান সাহেব আছেন, মির্জা আজিজুল ইসলাম সাহেব আছেন, হোসেন জিল্লুর রহমান সাহেব, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আছেন, ড. সালেহউদ্দিন সাহেব আছেন, রাশেদ তিতুমীর সাহেব আছে। এনাদেরকে ডেকে তো পরামর্শ নিতে পারতেন। কিন্তু সেটা তারা নেননি। স্বাস্থ্য খাতে একটা টেকনিক্যাল কমিটি করেছে। সেখানে দেখবেন অনেক বরণ্যে চিকিৎসক বাদ পড়েছে এবং এই ধরনের ভাইরাল ডিজিজের সঙ্গে যারা লেখাপড়া কাজ করেছেন তাদেরকে সম্পৃক্তই করা হয়নি। সেখানে দলীয়কলণ করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের দূরদৃষ্টি একেবারেই নেই রাজনীতি বলেন বা রাষ্ট্র পরিচালনার প্রজ্ঞা সেই প্রজ্ঞারও অভাব। চরম উদাসীনতা এবং দাম্ভিকতা-অহংকার ছাড়া আর কিছুই তাদের কাছে নেই। যার ফলে আজকে যতই তারা বলুক তারা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে সেটা জনগণ মেনে নিতে পারছে না।
শপিংমল খুলে দেয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত এই প্রজ্ঞাপনে সরকার রমজান ও ঈদের কথা বলে প্রথমে তাৎক্ষণিকভাবে এবং পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত বদলিয়ে ১০ মে থেকে দোকান-পাট খুলে দিয়েছে পারস্পরিক দূরত্ব ও অন্যান্য প্রতিপালন সাপেক্ষে- এটা আমাদের কাছে বোধগম্য না। কাকে সুযোগ করে দিচ্ছেন? মল-শপিং মল খুলে দিচ্ছেন খুব ভালো কথা। ঈদে আপনার মানুষগুলো যারা কাজ করে, কাপড়  তৈরি করে, কেনা-বেচা করে ছোট-বড় ব্যবসায়ী তাদের জন্য দরকার প্রয়োজন আছে। সেটা কী আমার মানুষের জীবনের বিনিময়ে। একটা মাস কি সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যেতো না, একটা মাস নিয়ন্ত্রণ করে সুযোগ সৃষ্টি করা যেতো না। আসলে সরকার ব্যর্থ হয়েছে, সমাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যর্থতার কারণে আজকে দেশকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যে শাটডাউন তুলে নিচ্ছে, এতে করে যে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে-এটা কেনো করছে? এটা আমাদের কাছে যেটা মনে হয়, সেটা হচ্ছে যে, তাদের অজ্ঞতা, উদাসীনতা এবং জনগণের কাছে যে জবাবদিহিতা নেই সে কারণে এটা করতে তারা সমর্থ হচ্ছে। আজকে যদি সত্যিকার অর্থে জনগণের নির্বাচিত সরকার থাকতো তাহলে কিন্তু এটা করা সম্ভব হতো না। মানুষের জীবন-জীবিকা দুইটাই যেমন রাখতে হবে ঠিক, সংক্রামণ যেহেতু এখনো ঊর্ধ্বমুখী, সেহেতু আরো কিছুদিন ধরে অবরুদ্ধ সমাজিক দূরত্ব নীতিমালা কঠোরভাবে পালন করা উচিত ছিলো। কারখানাগুলো এমনভাবে খোলা যেতে পারতো যে, ধীরে ধীরে একটা কারখানায় সকল ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করে, শ্রমিকদের যে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সেটা নিশ্চিত করেই কারখানাগুলো করা যেতো। সেটা তো করা হয়নি। এতো আপনার রেক রেসলি একেবারে বলা যেতে পারে কোনো রকমের কোনো দূরদর্শিতার প্রমাণ সরকারের দেখতে পাইনি। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অদূরদর্শিতা, সমন্বয়হীনতা এবং চরম উদাসীনতা এখানে প্রমাণ হচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে শুনলাম এক ভদ্রলোক বলছেন, শপিংমল খুলবে না কেনো? অর্থনৈতিক কর্মকান্ড তো চালু রাখতে হবে। আমরাও তো চাই অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চালু রাখতে হবে। বাট ও হোয়াট কজ। সেটা কী জনগণের জীবনের মূল্যে। তাদেরকে বাঁচিয়ে রেখেই তো সব কিছু করবেন। এটাই তো রাষ্ট্র, রাষ্ট্র যারা পরিচালনা করেন তাদের দায়িত্ব যে, দেশের মালিক জনগণ, তাদেরকে কিভাবে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, কিভাবে তাদের কল্যাণ করা যায় তা দেখতে হবে। করোনা সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বৈশ্বিক সমস্যা। অন্যান্য দেশ কিভাবে কাজ করছে, এর মধ্যে তো অনেক দেশ আছে তারা কিভাবে সফল হয়েছে তা সরকারের দেখা উচিত। কিভাবে ভিয়েতনাম পারলো, কিভাবে গ্রীসের মতো দেশ পারলো। আসলে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা যেসব বিধি দিয়েছিলো সেগুলোকে পুংখানুপুংখরূপে অনুসরণ করেই কিন্তু তারা সফল হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারকে বলব, এই ধরনের দাম্ভিকতা না রেখে, এই ধরনের অহংকার থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের পাশে এসে দাঁড়াতে বলতে চাই। সুরক্ষিত অট্টালিকায় থেকে মানুষের দুর্ভোগ, মানুষের কষ্ট-বেদনা সেটা বোঝা যায় না। দায়-দায়িত্বটা সরকারের। এটা বুঝতে হবে।
‘লকডাউনে’ গার্মেন্টস খোলার বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন সবই খুলে দেয়া হয়েছে। আমরা টেলিভিশনের যেটা দেখছি সেটা হচ্ছে-ভয়ংকর পরিস্থিতি একটা। প্রায় বেশির ভাগ কারখানায় নিরাপত্তার যে ন্যূনতম ব্যবস্থা, সেইগুলো নেই। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সরকার ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করলেও অধিকাংশ শ্রমিকরা ‘এখনো’ বেতন-ভাতা পাননি বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব। গার্মেন্টসসহ শিল্প কলকারাখানায় সরকারের জেলাওয়ারি একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গার্মেন্টসসহ শিল্পকারখানায় করোনা পজেটিভ সংক্রামণ রোগীর সংখ্যা ১১,১০৯ জন আর মারা গেছেন ১৯৪ জন।
সরকারি ত্রাণ সামগ্রি প্রসঙ্গ তিনি বলেন, এখন আমরা দেখছি যে, কিছু কিছু জায়গায় ত্রাণ দিচ্ছে তা চাহিদার তুললায় এতোই অপ্রতুল যে, স্থানীয় প্রতিনিধি আছেন সরকারের উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিউয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তারা বিপদগস্ত হয়ে পড়েছেন। আমি আমার এলাকা (ঠাকুরগাঁও) যোগাযোগ করে দেখেছি যে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আছেন তারা বলছেন, এটা না দিলে আমরা ভালো থাকতাম। কারণ প্রয়োজন হচ্ছে ৪৫০ হাজার লোকের সেই জায়গায় পাচ্ছি আমরা ৪শ। কিভাবে আপনি সমাধান করবেন? ঘটনা কিন্তু তাই।
কৃষিখাতের প্রসঙ্গে টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার বলছেন, ২২ লক্ষ মেট্রিক টন চাল কিনবেন। এখন পর্যন্ত বোরো ধান কেনার কাজ শুরু হয়নি। যার ফলে কৃষকেরা ক্ষেতের মধ্যে অত্যন্ত কম মূল্যে ৬শ টাকা মূল্যে ধান বিক্রি করছে। ময়মনসিংহ হাওর অঞ্চলে এই দামে ধান কৃষকরা বিক্রি করছে বলে আমার কাছে খবর এসেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যতটুকু জানি, দিনাজপুরে রহিম সাহেব কিছু কাজ করেছেন। আমার এলাকায় যিনি আছেন তার কথা শুনিনি। সরকার যেটা দিচ্ছে, সেটা সরকার দিচ্ছে। কিন্তু সংসদ সদস্যরা যেটা নিজেরা যে একটা উদ্যোগ নিয়ে ত্রাণ তৎপরতার কাজ করছেন সেটা এখন পর্যন্ত আমি শুনতে পাইনি। এটা কোথাও নেই।  ঢাকা থেকে যারা এমপি হয়েছেন তাদের মধ্যে একমাত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একদিন দেখলাম ত্রাণ-ট্রান দিচ্ছেন। আর কাউকে দেখতে পাইনি।




করোনা মোকাবিলায় দলের ত্রাণ কার্যক্রম তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি রাজধানীসহ সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জরুরি খাদ্য সহযোগিতা নিয়ে। ইতিমধ্যে ত্রাণ যে বিতরণ করা হয়েছে তা সারাদেশে ১২ লক্ষে পৌঁছেছে।  যুক্তরাজ্যেও বিএনপির পক্ষ থেকে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সেখানে খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে হাসপাতালগুলোতে ন্যাশনাল ইন সার্ভিস যেটা আছে তাদের কাছে। সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। এটা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। আপনি খবরের কাগজে দেখেছেন কতগুলো ছবি যে, টেস্ট করতে গিয়ে তিন ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে তিনি ওখানে পড়ে মারা গেছেন। এটা মর্মান্তিক। আমাদের মতো সভ্য দেশে এরকম স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দেখতে হবে আমরা ভাবতে পারি না। বাচ্চাদের জ্বর হলে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে না এবং প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছে করোনা না হলেও চিকিৎসা হাসপাতালে আপনি পাবেন না। আর করোনা হয়েছে কি হয় নাই তার টেস্টও তো সহজে পাওয়া যায় না। আমি কালকে শুননাল, এক রোগীকে আলী আজগর হাসপাতাল থেকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিলো। ওখানে নেয়ার পর তিনি মারা গেছেন। এরপর তাকে দাফন করার পরে রিপোর্ট আসছে যে, তার করোনা নেগেটিভ। তাহলে বলেন আপনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কোন জায়গায় চলে গেে গেছে। এক রোগীকে করোনা চিহ্নিত করে কুয়েত হাসপাতালে পাঠানোর পরে মারা গেলে পরীক্ষা করে রিপোর্ট আসছে নেগেটিভ। এখন এই পরীক্ষার ওপরে আপনি কতটুকু আস্থা রাখতে পারবেন সেটাই আজকে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান প্রমুখ।






প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25186 জন