এন-৯৫ মাস্কের মান নিয়ে প্রশ্ন
মুগদা হাসপাতালের পরিচালক ওএসডি
Published : Friday, 1 May, 2020 at 12:00 AM, Update: 30.04.2020 8:48:04 PM
দিনকাল রিপোর্ট
রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক শহিদ মো. সাদিকুল ইসলামকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। গত বুধবার  তাকে ওএসডি করে এক আদেশ জারি করা হয়।
সূত্র জানায়, এন-৯৫ মাস্কের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাকে ওএসডি করা হয়। তবে আদেশে ওএসডি করার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। জানা গেছে, শহিদ মো. সাদিকুল ইসলাম ঔষধাগার থেকে দেয়া মাস্কের (এন-৯৫) মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে এ বিষয়ে মতামত চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবর চিঠি দিয়েছিলেন।
গত ১ এপ্রিল দেয়া চিঠিতে পরিচালক শহিদ মো. সাদিকুল ইসলাম লেখেনÑ হাসপাতালের চাহিদার পরিপ্রেেিত গত ৩০ মার্চ কেন্দ্রীয় ঔষধাগার অন্যান্য মালামালের সঙ্গে ৩০০টি এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ করেছে। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান এই মাস্কের প্রস্তুতকারী।
চিঠিতে তিনি আরও লেখেন- এই মাস্কগুলো প্রকৃতপে এন-৯৫ কি না, সে বিষয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী টেলিফোনে হাসপাতালের পরিচালকের কাছে জানতে চেয়েছেন। চিঠিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মতামত দেয়ার অনুরোধ করা হয়।

অবশেষে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট পরীক্ষার  অনুমতি দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন
দিনকাল রিপোর্ট
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গবেষকদের উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাস পরীার ‘জি র?্যাপিড ডট ব্লট’ কিট পরীার অনুমতি দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
গতকাল বৃহস্পতিবার ওষুধ প্রশাসন থেকে চিঠি দিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে তা জানানো হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের কিট পরীার অনুমতি দিয়েছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) অথবা আইসিডিডিআর,বির যে কোনো একটিতে পরীা করার কথা বলেছে।’ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে বিএসএমএমইউ’র উপাচার্যকেও চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে বলেও জানান ডা. জাফরুল্লাহ। গণস্বাস্থ্যের করোনা কিট পরীা নিয়ে গত কয়েকদিনের বিতর্কের পর এটিকে একটি ?উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘কিট পরীার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদে (বিএমআরসি) ৫০ হাজার টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হয়। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ইতোমধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।’
‘বিএমআরসির একটি বড় কমিটি আছে। কমিটির সদস্যরা বৈঠক করে এই আবেদন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবেন। মৌখিকভাবে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা আজকে অনলাইনে বৈঠক করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যেহেতু অনেক বড় কমিটি তাই সবাইকে অনলাইনে এক করতে পারেনি। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে তারা জানিয়েছে, আগামী ২-১ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে,’ যোগ করেন তিনি।






প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
43 জন