দলীয় কারণে লুটপাটের বিচার হয় না : ড. বদিউল
Published : Friday, 24 April, 2020 at 12:00 AM, Update: 23.04.2020 9:42:41 PM
দলীয় কারণে লুটপাটের বিচার হয় না : ড. বদিউলদিনকাল রিপোর্ট
ড. বদিউল আলম মজুমদার। নাগরিক সংগঠন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। তিনি দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মতে, নতুন মোড়কে পুরনো লুটপাট চালু হয়েছে। দলীয় কারণে এসব লুটপাটের বিচার হয় না। ড. বদিউল আলম মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা একটি চুরির সংস্কৃতি গড়ে তুলেছি। কারণ অনেক বছর থেকেই যারা লুটপাট করে, চুরি করে, দুর্নীতি করে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। দলীয় কারণে, দলীয় বিবেচনায় তারা পার পেয়ে যায়। এখনও সেই পুরোনো সংস্কৃতি অব্যাহত রয়েছে। করোনার লোকাল ট্রান্সমিশন সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ১৬ এপ্রিল সরকার ঘোষণা করেছেন, সারা দেশ ঝ্ুঁকিতে। তার মানে শুরু থেকে এটাকে আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারিনি। অর্থাৎ আমাদের সংক্রমণ অনেক বেশি। দুই কারণে আমরা এটা নির্ধারণ করতে পারিনা। প্রথমত, টেস্ট হয় না। অত্যন্ত সীমিত সংখ্যক পরীা হয়। দ্বিতীয়ত, অনেকে আক্রান্ত হলেও তাদের মধ্যে কোনো লণ দেখা যায় না। তাই আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনা এখন সারা দেশে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামে-গঞ্জে, মহল্লায় ছড়িয়ে পড়েছে। এখন আমাদের নজর দিতে হবে স্থানীয় পর্যায়ে এটাকে প্রতিরোধ করা। আমাদের করনীয় হবে, এই ছড়ানোটা যেন আরো বিস্তৃত না হয়। কর্মহীন মানুষের সম্পর্কে তিনি বলেন, এরা অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে তারা কর্মরত। তারা কর্ম হারিয়েছে। তাদের জীবিকা হারিয়েছে। এবং একইসঙ্গে তারা অভুক্ত। তারা বাইরে না গেলে খাবে কি। এটাই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য সমস্যা। তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। হোম কোয়ারেন্টিন সম্পর্কে সুজনের এই সম্পাদক বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে হোম কোয়ারেন্টিনে আছি। দিনের বেশিরভাগ সময় কাজেই ব্যস্ত থাকি। সারা দেশে আমাদের অনেক স্বেচ্ছাসেবী আছে তাদেরকে সক্রিয় করার চেষ্টা করছি মানুষের এই চরম বিপদের দিনে। পারিবারিকভাবে আমরা সবাই ব্যস্ত। কর্মরত। পরিবারের একটি বড় অংশ বিদেশে। আমাদের এক ছেলে নিউ ইয়র্কে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন। এবং প্রতিদিন সে করোনা ভাইরাসের রোগীদেরকে চিকিৎসা করছে। বহু লোককে সে বাঁচাতে পারেনি। তার পরিবারও ঝুঁকিতে আছে। নিউ ইয়র্কে আরেক ছেলের পুত্র সন্তানের জন্ম হয়েছে এক মাস আগে এই করোনা ভাইরাসের মধ্যে। এগুলো নিয়ে একটু উদ্বেগের মধ্যে আছি।







প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25116 জন