করোনা উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ জনের মৃত্যু
Published : Friday, 3 April, 2020 at 12:00 AM, Update: 02.04.2020 10:30:02 PM
দিনকাল রিপোর্ট
জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দুই রোগী এবং লক্ষ্মীপুর সদরে উপজেলায় জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া নিয়ে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে মৃত দুজনের পরিচয় জানায়নি হাসপাতাল কর্তৃপ। এদের মধ্যে গত মঙ্গলবার মারা যাওয়া একজন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না বলে নমুনা পরীার পর জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ডা. উত্তম কুমার বডুয়া এ প্রতিবেদককে জানান, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে ভর্তি দুই রোগী গত দুদিনে মারা গেছেন। গতকাল  প্রথমজনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। তার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তিনি আরও বলেন, আরেকজনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। গতকাল রাতে রিপোর্ট পেলে জানা যাবে তিনি করোনায় সংক্রমিত ছিলেন কিনা। প্রত্যদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পরপর দুজনের মৃত্যুর পর রিপোর্ট না দিয়ে চিকিৎসকরা লাশ নিয়ে যেতে বললে জটিলতা  তৈরি হয়। স্বজনরা নিশ্চিত নন যে মৃতরা করোনায় আক্রান্ত কিনা। একদিন অপোর পর তারা হট্টগোল শুরু করেন। পরে একজনের নেগেটিভ বলে জানায় কর্তৃপ। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, সমাজসেবা অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সহায়তায় স্বজনদের কাছে দুটি মরদেহ হস্তান্তর করেছে হাসপাতাল কর্তৃপ।
অপরদিকে ল্মীপুর সদরে উপজেলায় জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া নিয়ে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার ওই বাড়ির নয়টি ঘর লকডাউন করেছে প্রশাসন। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা পরীার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে সদর উপজেলায় ওই বৃদ্ধ মারা যান। রাতেই তার দাফন হয়। তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা জানতে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই নমুনা গতকাল পরীার জন্য ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইসিডিআর) পাঠানো হয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় ও পুলিশ জানায়, ওই বৃদ্ধ জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। এগুলো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ বলে পুলিশ ওই বৃদ্ধের বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে। ওই বাড়িতে ৯টি পরিবার থাকে। পরবর্তী নির্দেশনা পর্যন্ত লকডাউন থাকবে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, করোনার উপসর্গ নিয়ে ওই বৃদ্ধ মারা গেছেন। এ কারণে স্বাস্থ্য বিভাগরে পরামর্শে ওই বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন আবদুল গাফফার বলেন, ওই বৃদ্ধের জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া ছিল। তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা জানান জন্য নমুনা আইইসিডিআরে পাঠানো হয়েছে।






প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25246 জন