মৃত্যু এলো ডাক্তার এলেন না
বগুড়ায় বিনা চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু ॥ প্রতিবেশীরাও এগিয়ে আসেনি ॥ সারাদেশে হাসপাতালগুলো ফাঁকা ॥ বেশিরভাগ বেসরকারি মেডিকেল বন্ধ
Published : Sunday, 29 March, 2020 at 12:00 AM, Update: 28.03.2020 9:27:16 PM
দিনকাল রিপোর্ট
দেশজুড়ে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক। সরকার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসের কিট ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী আমদানি করেছে সরকার। মহাখালীর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানান গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে কেউ করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হননি। ফলে দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ব্যক্তির সংখ্যা ৪৮ থেকে আর বাড়েনি। তবে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত আরও চারজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ফলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৪৮ জনের মধ্যে ১৫ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন। করোনায় এ পর্যন্ত ৫ জন মৃত্্ুযবরণ করেছেন বলেও জানান তিনি। বিশে^ এ পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং মৃত্যুবরণ করেছে ২৭ হাজারের বেশি। এদিকে দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লেও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা প্রায় বন্ধ রয়েছে। জ্বর বা ঠান্ডাজনিত রোগী ছাড়াও অন্যান্য রোগীর চিকিৎসা দিচ্ছে না হাসপাতালগুলো। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ প্রায় হাসপাতালগুলো এখন ফাঁকা। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে মানুষ।
‘বগুড়ায় গতকাল রাতভর হটলাইনগুলোতে ফোন দিয়ে সাড়া পায়নি এক রোগীর স্বজন। পাওয়া যায়নি সরকারি হাসপাতালগুলোর অ্যাম্বুলেন্স। করোনা হয়েছে সেই আতঙ্কে পরশীরাও কেউ এগিয়ে আসেনি। রাস্তায় কোনো গাড়িঘোড়াও নাই। কোনোভাবেই একা স্বামীকে হাসপাতালে নিতে পারিনি। রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিস্তেজ হয়ে যায় স্বামীর শরীর। ছোট্ট মেয়েটাকে নিয়ে নিথর দেহের পাশে বসে রাত পার করেছি। সে মারা গেছে না বেঁচে আছে বুঝতে পারিনি।
করোনার ভয়ে কেউ কাছেও আসেনি। আল্লাহ তুমি এমন অসহায় করে মৃত্যু দিলে কেন।’ এভাবেই কান্নাজড়িত কন্ঠে বললেন বগুড়ার শিবগঞ্জের মৃত ব্যক্তির স্ত্রী।
ওই ব্যক্তি কয়েকদিন আগে গাজীপুর থেকে বাড়িতে ফিরেন। এরপর জ্বর ও সর্দি-কাশি দেখা দেয়। গত শুক্রবার রাতে তার অবস্থার অবনতি হয়। অসুস্থ স্বামীকে হাসপাতালে নেয়ার জন্য স্ত্রী প্রথমে প্রতিবেশীদের সহযোগিতা চান। ওই ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে কেউ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। এরপর স্ত্রী অ্যাম্বুলেন্সের জন্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন জেলা ও উপজেলার হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের নম্বরে। ওই রাতে তিনি কারো কাছেই সাড়া পাননি।
ওই ব্যক্তির স্ত্রীর অভিযোগ, তিনি রাতে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) হটলাইনে ফোন দিয়ে কাউকে পাননি। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের হটলাইনে ফোন করেও সাড়া পাননি।

পরে গতকাল শনিবার হটলাইনে বিষয়টি জানার পর বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের এক কর্মকর্তা বিষয়টি জেলা সিভিল সার্জন ও পুলিশ প্রশাসনকে জানান। সকালে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে একজন গিয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মৃত ওই ব্যক্তির স্ত্রী গণমাধ্যমকে জানান, তার স্বামী গত মঙ্গলবার তিনি গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে বাড়িতে আসেন। পরের দিন বুধবার থেকে জ্বর-সর্দি এবং কাশি দেখা দেয়। পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শে জ্বর-সর্দির ওষুধ খেয়েছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে এক পর্যায়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। সাহায্যের জন্য পরশী এবং হাসপাতালগুলোতে সাহায্য চেয়ে কারো সাড়া পাননি তিনি। ঘরে সাত-আট বছরের এক মেয়েকে নিয়ে তিনি চরম অসহায় হয়ে পড়েন। শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, শিবগঞ্জ থানাপুলিশ, শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসে ফোন দেন সহযোগিতার জন্য। কোনো সাড়া না পেয়ে আইইডিসিআরের হটলাইনে ফোন দেন। কিন্তু লাইন পাননি। পরে ফোন দেন শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের হটলাইনে। শেষ পর্যন্ত মৃত্যু এলেও ডাক্তার আসেননি তার বাড়িতে।
শিবগঞ্জের ময়দনহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম রুপম গণমাধ্যমকে বলেন, মাত্র (দুপুর পৌনে ২টা) সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে লোকজন এসেছেন তারা নমুনা সংগ্রহ করবেন। তারপর বোঝা যাবে তার মৃত্যুর কারণ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলমগীর কবীর বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা জন্য আলামত ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। এরপর জানা যাবে করোনা হয়েছিল কি না।
তিনি আরো বলেন, মৃত ব্যক্তির বাড়ির আশপাশের ১৫টি বাড়ি লকডাউন করে রাখা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির লাশ করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের মতো করেই সৎকার করা হবে।
করোনা আতঙ্কে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না সাধারণ জ্বর অথবা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীরা। হাসপাতালগুলোর বাড়তি সতর্কতায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মধ্য তিরিশের এক যুবকের দাবি এলার্জিজনিত সমস্যা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ঘুরেছেন সরকারি-বেসরকারি একাধিক হাসপাতালে। কিন্তু কোথাও মেলেনি সেবা। বরং পরামর্শ দেয়া হয়েছে বাসায় থাকার। অভিযোগ রয়েছে ঘন্টার পর ঘন্টা চেষ্টা করেও মেলে না আইইডিসিআর এর হটলাইন সেবা।
ভুক্তভোগী ওই যুবক বলেন, ‘আমার বাসার পাশে মেট্রোপলিটন হাসপাতালের পাশে। তাদের কাছে গেলে বলে সরকারি মেডিকেলে যেতে হবে। সেখানে গেলে বলে আপাতত এই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। এর জন্য আলাদা ইউনিট খোলা হয়েছে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে খোদ ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকের কন্ঠে। ঠিকমতো সেবা দিতে না পারার পেছনের যুক্তিও তুলে ধরছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সীমাবদ্ধতা প্রকট। কিটের সীমাবদ্ধতা। আমাদের ব্যক্তিগত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নেই। আমাদের কাছে করোনা রোগী শনাক্তের মতো সুযোগ নেই। আর শনাক্ত না করে তো বলতেও পারবো না করোনা আছে কি নেই।’
তবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান বলেছেন, ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে না কোনো রোগীকেই।
এদিকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা তুলে ধরছেন চিকিৎসকরা। নিরাপত্তা পোশাক (পিপিই) নেই, নেই অন্যান্য সামগ্রী। ফলে চিকিৎসা দিতে গিয়ে নিজেরাই আক্রান্ত হচ্ছেন করোনায়। গত শুক্রবার আইইডসিআররের পরিচালকও দুই চিকিৎসকের আক্রান্ত হওয়ার খবর দিয়েছেন। গত কয়েকদিন আগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা করতে গিয়ে রাজধানীর মিরপুরে একটি প্রাইভেট হাসপাতালের এক তরুণ চিকিৎসক নিজেই আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এর আগে আরও কয়েকজন চিকিৎসক করোনা ভাইরাস রোগীর সংস্পর্শে গিয়ে নিজেরা এখন কোয়ারেন্টাইনে আছেন। একাধিক নার্সও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশব্যাপী ডাক্তারদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও ওয়ার্ডে করোনা রোগী থাকার গুজব ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। করোনা করোনা বলে চিৎকার দিয়ে ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে যাওয়া, আবার বহির্বিভাগে কাউকে করোনা রোগী বলে প্রচার করে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে। নানা কারণে বহু চিকিৎসক এখন নিজে বাঁচার জন্য সাধারণ রোগীর চিকিৎসা করতে ভয় পাচ্ছেন। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় (প্রটেকশন) সরঞ্জামের পর্যাপ্ত সংকট রয়েছে বলেও চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন। চিকিৎসকদের সুরক্ষার অভাবে তারা এখন রোগীদের চিকিৎসা করতে ভয় পাচ্ছেন। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের ইতিহাসে চিকিৎসা ব্যবস্থায় এখন চরম সংকটে চলছে। কে কারোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আর কে আক্রান্ত না তা শনাক্ত করা কঠিন। ফলে চিকিৎসকরা আতঙ্কে আছেন। তারা যে কোনো রোগী দেখলে মনে করেন তার শরীরে করোনা ভাইরাস থাকতে পারে। অন্যদিকে নিজের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে অনেক চিকিৎসক রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেকেই চেম্বারে যাচ্ছেন না। শুধু রাজধানীর হাসপাতাল ও ডাক্তারদের চেম্বারই নয়, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ দেশের সব বিভাগ ও জেলায় এ চিকিৎসা সংকট চলছে। বহু রোগী ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর, সর্দি-কাশিতে ভুগছেন। তারা চিকিৎসকদের চেম্বারে চেম্বারে ঘুরে চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগে সংক্রমণ হাসপাতাল ও কুষ্ঠ হাসপাতালে ৩০টি বেড করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানে আইসিইউ বেড নেই।
রাজশাহী সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানা গেছে, ২৪ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় ডাক্তারদের সুরক্ষার বা ব্যক্তিগত প্রটেকশনের পোশাক পাওয়া যায়নি। কিছু সুরক্ষা পোশাক পেতে পারেন, কখন পাবেন তা অনিশ্চিত বলে জানান তিনি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লে অন্য হাসপাতালে যাতে নেয়া যায় সে জন্য প্রস্তুতি চলছে। খুলনা, চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেটসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে কিছু বেড থাকলেও সব হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই।
আমাদের সিলেট অফিস জানায়, করোনা ভাইরাস আতঙ্কের কারণে অন্য চিকিৎসা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। সাধারণ জ্বর ও সর্দির ও গলা ব্যথাসহ অন্য রোগের চিকিৎসা পাওয়া যেন সোনার হরিণ হয়ে পড়েছে।
বরিশাল অফিস জানায়, বরিশাল শহরে ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর, সর্দি, কাশির চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীদের চিকিৎসা না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবার ভর্তিকৃত রোগী সুস্থ হওয়ার আগেই ছাড়পত্র দেয়ার অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া রংপুর শহরের চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কারোনা আতঙ্কের কারণে বন্ধ করে দেয়ায় রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
বংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব ও স্বাচিপ নেতা ও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, এ পরিস্থিতিতে প্রথমে রোগীর ইনফ্রারেড থার্মোমিটারের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করে জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীকে নির্দিষ্ট স্থানে পাঠাতে হবে। আর চিকিৎসক পিপিই পোশাক পরে রোগীর চিকিৎসা দিবেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে টেলি মেডিসিনের সাধারণ রোগের চিকিৎসা করা যেতে পারে।




মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো এক তথ্যে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস পরীক্ষা ও করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আর করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় লজিস্টিক মজুদ ও সরবরাহ করা হচ্ছে। পার্সোনাল প্রটেকশন দেয়ার সব পণ্য এখন মজুদ রাখা হয়েছে। আরও মজুদ করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আর বিদেশ থেকে কিট আনা হচ্ছে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চিকিৎসকদের সুরক্ষায় পদক্ষেপ নিয়েছেন।
পিপিই প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, যেখানে দরকার সেখানে পিপিই ব্যবহার করতে হবে। জ্বর, সর্দি ও হাঁচি-কাশির রোগী দেখার সময় অবশ্যই পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকশন) পোশাক ব্যবহার করতে হবে। এর বিকল্প নেই।






প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25113 জন