গতকাল নতুন ৬ জন নিয়ে ৩৯ জন শনাক্ত : একজনের মৃত্যু
Published : Wednesday, 25 March, 2020 at 12:00 AM, Update: 24.03.2020 11:03:15 PM
দিনকাল রিপোর্ট
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে আরও ছয়জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হলো। আর মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩৯ জন। গতকাল মঙ্গলবার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। মীরজাদী জানান, যে ব্যক্তি মারা গেছেন, তিনি সত্তরোর্ধ্ব। তিনি একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া নতুন আক্রান্তদের একজন সম্প্রতি সৌদি আরবে ওমরাহ করে দেশে ফিরেছেন। বাকি চারজন আগে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন। মীরজাদী বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় আইইডিসিআর ৯২টি নমুনা পরীা করেছে। এখন পর্যন্ত ৭১২টি নমুনা পরীা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় হটলাইনের মাধ্যমে ১ হাজার ৭০০ ফোনকল এসেছে করোনা ভাইরাস-সম্পর্কিত।
করোনার নতুন উপসর্গ স্বাদ ও গন্ধহীনতা
অবসন্নতা, জ্বর, কাশি, গলাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট। এগুলোই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের লণ বা উপসর্গ বলেই বলা হচ্ছিল। কিন্তু চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা নতুন দুটি উপসর্গের দেখা পাচ্ছেন। এ দুটি হলো স্বাদহীনতা ও গন্ধহীনতা। এমনও হচ্ছে যে অন্য কোনো লণ নেই। কিন্তু এ দুটির একটি বা উভয়টি আছে। ফ্রান্সের স্বাস্থ্য বিভাগ এ কথা বলছে। যুক্তরাজ্যের নাক, কান ও গলাবিষয়ক চিকিৎসকদের অ্যাসোসিয়েশন ইএনটি ইউকেও একই উপসর্গ পাচ্ছে।
ফ্রান্সের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান জেরোমি সালোমন জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন উপসর্গ তারা দেখতে পাচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে নাকের বা নাসারন্ধ্রের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু হঠাৎ গন্ধশক্তি হারিয়ে ফেলছেন। পরে পরীা করে দেখা যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত। যদিও এ উপসর্গ খুবই সীমিত রোগীর মধ্যে আছে। এ ছাড়া আরও একটি উপসর্গ হলো খাবারের স্বাদ হারিয়ে ফেলা। কারও কারও এ দুটি উপসর্গ একসঙ্গে দেখা দিচ্ছে। তবে এ উপসর্গ দুটি বেশি দেখা যাচ্ছে তরুণ রোগীদের মধ্যে।
ইএনটি ইউকে বলেছে, যেসব সন্দেহভাজন রোগী আইসোলেশনে আছে, স্বাদ ও গন্ধহীনতাকে তাদের আক্রান্ত হওয়ার লণ হিসেবে যোগ করা উচিত। ইএনটি ইউকে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা নতুন একটি উপসর্গ শনাক্ত করেছি । তা হলো স্বাদ বা গন্ধ হারানো। এর মানে হলো, যাদের অন্যান্য কোনো উপসর্গ নেই, কিন্তু স্বাদ বা গন্ধ পাচ্ছে না, তাদেরও এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে থাকতে হবে।’
যুক্তরাজ্যের নাক, কান ও গলাবিষয়ক খ্যাতনামা চিকিৎসক নির্মল কুমার বলেছেন, শরীরে করোনা ভাইরাসের মূল প্রবেশপথ নাক। তরুণ অনেকে সংক্রমিত হলেও তাদের জ্বর বা ঠান্ডা-কাশির উপসর্গ দেখা দেয় না। কিন্তু ভাইরাসটি নাকে প্রবেশ করায় সংক্রমিত ওই তরুণেরা স্বাদ ও গন্ধশক্তি হারাতে পারেন।






প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
25102 জন